মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে ১৯৮৩ সালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। কথিত আছে নদী বিধৌত এ অঞ্চলে প্রচুর ধান চাষ হতো এবং নদী থাকায় এ অঞ্চলে ব্যবসা বানিজৌর মাধ্যমে টাকা আয়ের সুযোগ ছিল এ জন্য ধান-নদী-টাকা খাকায় মনে করা হয় এ অঞ্চলের নাম হয়েছে ‘ধুনট’

ধুনট উপজেলার ঐতিহাসিক পটভূমিঃ

১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুব বাংলার শাসন কর্তৃত্ব ইংরেজদের হাতে যাওয়ায় ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কার্নওয়ালিস মোঘল প্রবর্তিত সরকার ও পরগনা ব্যবস্থা ভেঙ্গে জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন এবং সমগ্র বাংলাকে ২৮টি জেলায় রূপান্তর করে প্রতিটি জেলায় বিচার কার্য সম্পাদনের জন্য ০১ জন করে জেলা জজ নিযুক্ত করেন। জনগণের অধীন একজন রেজিস্টার ও কয়েকজন করে মুন্সেফ নিযুক্ত হন এবং শান্তি রক্ষার নিমিত্তে কয়েক ক্রোশ অন্তর অন্তর এক একটি থানা সংস্থাপিত হয়ে তার ভার এক একজন দারোগার হাতে সমর্পিত হয়। তখনও ধুনট নামে কোন প্রশাসনিক কেন্দ্র (পুলিশ থানা) ছিল। কোম্পানী আমলে বগুড়া জেলার যোগানদাতা কুঠি হিসেবে ধুনট রেশম কুঠি নামে হলহলিয়া নদীর তীরে একটি কুঠি স্থাপিত হয়। ১৮৬১ সালে ধুনট রেশম কুঠিকে নীল কুঠিতে উন্নীত করা হয়। ১৮৬৯ সালে ধুনট থানার গোড়াপত্তন হলে এর প্রশাসনিক দপ্তরটি ধুনট মৌজার হলহলিয়া নদীর তীরে  গড়ে উঠে। থানা সদর দপ্তরটি ধুনট মৌজাতে স্থাপিত হওয়ায় ধুনট মৌজর নামেই নামকরণ হয় ধুনট থানা। পরবর্তীতে কুঠিবাড়ী নিবাসী বাবু বিকে চন্দ্রের (বৃন্দবন কৃষ্ণ চন্দ্র) নিকট হতে ধুনট মৌজার ৬নংসিটে ৬৪৮৪ নং দাগে ১.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণ করে উক্ত জমির উপ ২৭ জুন ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ করিকাতা গেজেট জনবল-২৫ এর মাধ্যমে ধুনট থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে ধুনট মৌজার ৫নং সিটে ১৩ টি দাগে বঙ্গ বিহারী ও সতিস চন্দ্র সহ অন্যান্য মালিকদের নিকট হতে আরো ১০.০৬ একর জমি অধিগ্রহন করে। উক্ত জমির উপর প্রশাসনিক থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে উক্ত প্রশাসনিক থানা মান উন্নীত থানায় উন্নীত হয় এবং ২৪ মার্চ ১৮৩ খ্রিস্টাব্দে উক্ত মান উন্নীত থানা ধুনট উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বাংলাদেশের উপজেলা সমূহের মধ্যে ধুনট একটি অন্যতম উপজেলা। 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter